এগরাতে আবার পূর্ণদৈর্ঘ্যের সিনেমা “চাল”

এগরাতে আবার পূর্ণদৈর্ঘ্যের সিনেমা “চাল”

আটকে পড়া জীবন । সে জীবন বন্ধুত্বহীন। সাক্ষাৎহীন, একঘেঁয়ে । বন্ধ সময়ে প্রায় সবকিছুই স্তব্ধ ছিল । সেই স্তব্ধতাতে কিছুজন ভেবেছেন। কী ভাবে ঘরে বসে বিনোদনের আয়োজন করা যায় । সেই ভাবনারই ফসল, ‘চাল’ । একটি কাহিনিচিত্র। যার নির্দেশক ও পরিচালনায় কলেজ পড়ুয়া ছাত্র-ছাত্রীরা। এগরার আত্মপ্রকাশ করতে চলেছে ‘চাল’।
লকডাউন পরিস্থিতিতে গত তিন মাস ধরে জেলার বিভিন্ন প্রান্তে কলাকুশলীদের নিয়ে শুটিং চলছে ‘চাল’ এর। করোনা পরিস্থিতির কথা ভেবে সামাজিক দূরত্ব-বিধি মেনে কাজ হয়েছে। সংক্রমন এড়াতে ফিল্মের কাজের বেশির ভাগ অংশ বাড়িতে বসেই হয়েছে।
কাহিনিচিত্রের দৈর্ঘ্য ১ ঘণ্টা তিরিশ মিনিট । রয়েছে গান ও ফুটবল খেলার দৃশ্য । লকডাউন পরিস্থিতিতে বহু যুবক-যুবতী কাজ ছেড়ে বাড়ি ফিরে এসে গৃহবন্দি । স্বাভাবিক সময়ে স্কুল কলেজে পড়ার সময় পাড়ার মাঠে ফুটবল নিয়ে দাপিয়ে বেড়ানো তাদের কাছে আজ শুধু স্মৃতি ।
বাড়ির বন্দি দশা থেকে আবার নিজেদের ফুটবল মাঠে ফিরিয়ে নিয়ে যেতে এই ফিল্মের মূল ভাবনা। স্কুল কলেজের সেই ফুটবলের স্মৃতি থেকে বন্ধুত্ব হওয়া। সেখান থেকে প্রেম। তার পর তা নিয়ে সংঘাত। রয়েছে পাড়ায় পাড়ায় দ্বন্দ্ব । কাহিনি এগোয় এই বাঁকে ।
ছ’জন কলাকুশলী নিয়ে সিনেমা। চিত্রনাট্য লিখেছেন নিজেরাই। নির্দেশনাও তাঁদের । দিঘা, এগরা ক্রীড়াঙ্গন মাঠে এবং পশ্চিম মেদিনীপুরের একাধিক জায়গায় শুটিং হয়েছে। আজ সোমবার সিনেমার ডিজিট্যাল মাধ্যমে পোস্টার ও ফিল্মের প্রোমো আত্মপ্রকাশ করেছে। পুজোর আগে লকডাউন পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে প্রেক্ষাগৃহে ছবি প্রদর্শনের চিন্তাভাবনা রয়েছে। লকডাউন পরিস্থিতি থাকলে দুরগাপুজোয় এই ছবিটি ইউটিউব চ্যানেলে মুক্তি পাবে। ছবিতে খল চরিত্রে দেখা যাবে সহ-নির্দেশক সঞ্জয় দাসকে। এগরায় এই নিয়ে দু’টি শর্টফিল্ম আত্মপ্রকাশ করতে চলেছে।
ছবির পরিচালক শুভদীপ পয়ড়া বলেছেন, “কর্মব্যস্ততার মধ্যে সকলেই খেলার মাঠ থেকে দূরে সরে যাই। সেই স্মৃতি উসকে দর্শকদের আবার মাঠে ফিরিয়ে আনাই ছবির মূল উদেশ্য”।